১৬ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ১লা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম :
রাজাকার শ্লোগানধারীদের ছাত্রত্ব বাতিলসহ গ্রেফতারের দাবিতে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল: মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুনর্বহালের রায় কার্যকর করার দাবিতে শাহবাগে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল উন্মুক্ত হলো ঢাকা-সুইজারল্যান্ড সরাসরি ফ্লাইটের দ্বার ৫ কারণে কোপা যাবে আর্জেন্টিনায় দেশে ফিরলেন ওবায়দুল কাদের দেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলে আরব আমিরাতের বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী ড. ইউনূস আসামি, উনি এভাবে কথা বলতে পারেন না’ গাজায় মার্কিন যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবনার জবাবে যা জানাল ফিলিস্তিনিরা দিল্লি পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুনর্বহালের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে ঢাবিতে আনন্দ মিছিল
  • প্রচ্ছদ
  • রাজনীতি
  • সংসদে বিরোধী দলের নেতা হলেন জি এম কাদের
  • সংসদে বিরোধী দলের নেতা হলেন জি এম কাদের

    মুক্তি কন্ঠ

    মুক্তিকন্ঠ ডেস্ক :

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের নেতা হলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের। রোববার (২৮ জানুয়ারি) স্পিকারের আদেশক্রমে সিনিয়র সচিব কে এম আব্দুস সালামের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    প্রজ্ঞাপনে বিরোধী দলের উপনেতা করা হয়েছে চট্টগ্রাম-৫ আসন থেকে নির্বাচিত এমপি ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদকে।

    এর আগে গত ১৮ জানুয়ারি দলের চেয়ারম্যান জি এম কাদেরকে বিরোধী দলীয় নেতা, দলটির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদকে বিরোধী দলের উপনেতা ও মহাসচিব মজিবুল চুন্নুকে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মনোনীত করে জাপার নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। এদিন সংসদ ভবনে বিরোধী দলীয় উপনেতার দফতরে জাতীয় পার্টির সংসদীয় দলের সভায় এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে তা স্পিকার বরাবর পাঠানো হয়।

    গত ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত বিএনপি-জামায়াতবিহীন নির্বাচনে বিনা বাধায় টানা চতুর্থবারের মতো ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ। নির্বাচনে ২৬টি আসনে আওয়ামীয় লীগের সাথে সমঝোতা করেও মাত্র ১১টি আসনে বিজয়ী হয় জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা। দলের ভরাডুবিতে জাপায় বিশৃঙ্খলা তৈরির পাশাপাশি বিরোধী দলীয় নেতা হওয়া নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। কারণ জাপার চেয়ে আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থীর বিজয়ী (৬২) সংখ্যাই বেশি। ফলে স্বতন্ত্র এমপিরা মোর্চা করে বিরোধী দল গঠন করতে পারে বলেও আলোচনা সমালোচনা শুরু হয়। এরই মধ্যে রোববার স্পিকারের স্বীকৃতি জি এম কাদের শিবিরে স্বস্তিই দিয়েছে বলা চলে।

    সূত্র: কালবেলা