১৬ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ১লা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম :
রাজাকার শ্লোগানধারীদের ছাত্রত্ব বাতিলসহ গ্রেফতারের দাবিতে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল: মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুনর্বহালের রায় কার্যকর করার দাবিতে শাহবাগে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল উন্মুক্ত হলো ঢাকা-সুইজারল্যান্ড সরাসরি ফ্লাইটের দ্বার ৫ কারণে কোপা যাবে আর্জেন্টিনায় দেশে ফিরলেন ওবায়দুল কাদের দেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলে আরব আমিরাতের বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী ড. ইউনূস আসামি, উনি এভাবে কথা বলতে পারেন না’ গাজায় মার্কিন যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবনার জবাবে যা জানাল ফিলিস্তিনিরা দিল্লি পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুনর্বহালের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে ঢাবিতে আনন্দ মিছিল
  • প্রচ্ছদ
  • বিনোদন >> মতামত
  • ভারতের নাগরিকত্ব পেতে ১৮ বছর সময় লেগেছে আদনান সামির!
  • ভারতের নাগরিকত্ব পেতে ১৮ বছর সময় লেগেছে আদনান সামির!

    মুক্তি কন্ঠ

    ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী আদনান সামি। ব্যতিক্রমী কণ্ঠ আর সুরের জাদুতে দেড় দশক ধরে মুগ্ধ করে এসেছেন ভক্তদের। একক অ্যালবাম থেকে বলিউডের সিনেমায় গান, সব জায়গায় নিজের দারুণ ছাপ রেখেছেন এই গায়ক।

     

    তবে জন্মসূত্রে আদনান সামি ভারতীয় ছিলেন না। পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত এই গায়কের জন্ম লন্ডনে। ২০১৬ সালে পৈতৃক ভিটা পাকিস্তান ছেড়ে ভারতে চলে আসেন আদনান সামি। বর্তমানে তিনি ভারতের নাগরিক। তবে এই নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্য দীর্ঘ ১৮ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে গায়ককে। সম্প্রতি নিজের অতীতের বিষয়ে জানিয়েছেন আদনান। একসময় রাষ্ট্রহীন থাকার মর্মান্তিক বেদনার কথাও শেয়ার করেছেন গায়ক।

     

    ম্যাশেবল ইন্ডিয়ার ‘দ্য বম্বে জার্নি’ সিরিজের একটি পর্বে উপস্থিত হয়ে আদনান সামি বলেছেন, “এই যাত্রাটি ছিল কঠিন সব বাঁক এবং বিপত্তিতে পরিপূর্ণ। এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ‘রাষ্ট্রহীন’ ছিলাম। লোকেরা মনে করে যে আমার এই যাত্রা সহজ ছিল, কারণ আমি একজন তারকা। কিন্তু এটা সহজ ছিল না। সহজ সমাধান বলে কিছু নেই। আপনাকে সব কিছুর জন্য কাজ করতে হবে।”

     

    ভারতের নাগরিকত্ব পাওয়ার বিষয়ে সামি বলেন, “আমার ১৮ বছর লেগেছে। এই ১৮ বছরের জার্নি খুব কঠিন ছিল। আমি এই সম্পর্কে কাউকে কিছু বলিনি। একদিকে নিজের আসল নাগরিকত্ব ত্যাগ করতে হয়েছিল, অপরদিকে ভারতেও আমাকে দুইবার প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল। মাঝে দেড় বছর আমি সম্পূর্ণ রাষ্ট্রহীন ছিলাম। আমি কোনো দেশেরই ছিলাম না। পাসপোর্ট একটি নথি মাত্র, কিন্তু আমি কোনো দেশের নাগরিক ছিলাম না। আমি ভ্রমণ করতে পারিনি, কিছুই ঠিকঠাক করতে পারিনি।”