১৪ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৩০শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ |
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সাঘাটা-ফুলছড়ির শীতার্ত মানুষদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করলেন আল মামুন
  • প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সাঘাটা-ফুলছড়ির শীতার্ত মানুষদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করলেন আল মামুন

    মুক্তি কন্ঠ

    মুক্তিকন্ঠ ডেস্ক :

    আজ ৩রা ফেব্রুয়ারী শনিবার সকাল ১০টায় গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ভরতখালী ইউনিয়নের উল্লাবাজার মুক্তিযোদ্ধা চত্বরে বিতরণ শেষে একই দিনে সকাল ১১টায় ফুলছড়ি উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নে ফুলছড়ি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে “আর্ত মানবতার সেবায় মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ” শ্লোগানকে সামনে রেখে বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে এক হাজার শীতার্ত অসহায় মানুষদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক, সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা ও গাইবান্ধা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য মোঃ আল মামুন। এসময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক উপ-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক সাধ মণ্ডল, সাঘাটা উপজেলা শাখা মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সভাপতি আমজাদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক প্লাবন হোসেন মণ্ডল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শোয়েব হোসাইন সাধ, ভরতখালী ইউনিয়ন শাখা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুজন মিয়া, যুবলীগ নেতা সামিউল ইসলাম ফুয়াদ, মৎসজীবী লীগ নেতা রফিকুল ইসলাম বেলাল, ফুলছড়ি সরকারি কলেজ শাখা মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সভাপতি আব্দুল খালেকসহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

    শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানের বক্তব্যে আল মামুন বলেন, “প্রতিবছরের ন্যায় এবারও মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ অসহায় ছিন্নমূল শীতার্ত মানুষদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। “আর্ত মানবতার সেবায় বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ” শ্লোগানকে সামনে রেখে দেশব্যাপী শীতবস্ত্র বিতরণের এই ধারা অব্যাহত থাকবে। অসহায় মানুষদের শীতের কষ্ট লাঘব করার জন্য বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে আজ গাইবান্ধার সাঘাটা-ফুলছড়িতে এক হাজার শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে । সমগ্র দেশে সংগঠনের সকল ইউনিটকে উক্ত মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য ইতিমধ্যে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য। সমাজের বিত্তশালী মানুষদের উচিত সামর্থ্য অনুযায়ী অসহায় ছিন্নমূল শীতার্ত মানুষদের পাশে দাঁড়ানো যাতে কেউ শীতে কষ্ট না পায়। বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে আমরা চেষ্টা করছি অসহায় শীতার্ত মানুষদের পাশে দাঁড়ানো। সকলের উচিত এরকম মানবিক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হওয়া। রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রামের পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ সবসময় অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়িয়েছে। এই ধারা অব্যাহত থাকবে। বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সবসময় এদেশের অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। কোনও মানুষ যাতে শীতে কষ্ট না পায় এজন্য সমগ্র বাংলাদেশে সরকারের পক্ষ থেকে শীতবস্ত্র বিতরণের কার্যক্রম চলছে। বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। কোন অপশক্তি বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা থামাতে পারবে না। জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাদের অহংকার, ভালবাসা। আমাদের রাজনীতির শেষ ঠিকানা। আমাদের এ প্রজন্ম গর্বিত। কারণ আমরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সান্নিধ্য পাইনি। কিন্তু তাঁর সুযোগ্য কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার সান্নিধ্য পেয়েছি। আজ শেখ হাসিনার বদৌলতে উন্নয়নে বাংলাদেশ সারা বিশ্বের কাছে রোল মডেল হিসেবে আখ্যা পেয়েছে। যার কারণে উনি আজ শুধু বাংলাদেশের নয়, সমগ্র বিশ্বের নেত্রী। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেছিল- যদি উন্নয়ন দেখতে চাও বাংলাদেশকে দেখ। শেখ হাসিনা এমন একজন নেত্রী, যার আইডল হিসেবে বিট্রিশ প্রধানমন্ত্রী নিজের মেয়েদেরকে দেখতে চান। আজ জাপান সরকার শেখ হাসিনার ভাই হিসেবে পরিচয় দিতে চায়। বাংলাদেশের মানুষ ভালবেসেই তাকে ইতিহাসে রেকর্ড করে পঞ্চমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করেছে। বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের সন্তান-প্রজন্মরা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি আওয়ামী লীগের পাশে থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার চেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। অতীতের ন্যায় ভবিষ্যতেও মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চকে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নের পাশাপাশি অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।”

    আল মামুন বক্তব্যে আরোও বলেন “বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সারাজীবন এদেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি বলেছেন, একজন মানুষও না খেয়ে থাকবে না, ঘরবাড়ি ছাড়া থাকবে না, একজন মানুষও শীতে বস্ত্রহীন থাকবে না। বঙ্গবন্ধু কন্যা তাঁর সুযোগ্য নেতৃত্বের মাধ্যমে সেটা প্রমাণ করেছেন। দুর্নীতি ও দারিদ্র্যতা দূর করে বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত করেছেন। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ও আদর্শ অনুযায়ী জননেত্রী শেখ হাসিনা সকল শ্রেণি পেশার মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য দিনরাত নিরলসভাবে পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। আপনারা তাঁর জন্য দোয়া করবেন। এই শীতে আপনারা যাতে কেউ কষ্ট না পান এজন্য সরকার আপনাদের পাশে রয়েছে। আপনাদের প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বুকভরা ভালোবাসা, শ্রদ্ধাবোধ, সম্মান ও সহমর্মিতা নিয়ে আমরা এখানে এসেছি। জননেত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে সামান্য উপহার নিয়ে আপনাদের পাশে দাঁড়াতে এসেছি। আমাদের উচিত ছিল আপনার ঘরে ঘরে যেয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এই ক্ষুদ্র উপহারটুকু পৌঁছে দিতে। এজন্য আমরা আন্তরিক ভাবে দুঃখিত। কারণ আপনারাই আওয়ামী লীগের শক্তি। আপনাদের সমর্থন ও সহযোগিতা নিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বারবার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসেছে। আওয়ামী লীগ সরকার সবসময় এদেশের জনগণের পাশে ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে। বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা এদেশের শ্রমজীবী খেটে খাওয়া মানুষদের একমাত্র ভরসা ও আশ্রয়স্থল। তিনি সবসময় অসহায় নিপীড়িত মানুষদের কথা ভাবেন। আপনাদের জীবনমান উন্নয়নে তিনি দিনরাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।”