১৫ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৩১শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ |
  • প্রচ্ছদ
  • আইন আদালত >> মতামত >> সারাদেশ
  • জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া কেনা যাবে না ট্রেনের টিকিট
  • জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া কেনা যাবে না ট্রেনের টিকিট

    মুক্তি কন্ঠ
    আগামী ১ মার্চ থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া ট্রেনের টিকিট কেনা যাবে না। যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র নেই তাঁদের টিকিট কিনতে জন্মনিবন্ধন সনদের প্রয়োজন হবে। বিদেশি নাগরিকদের ট্রেনে ভ্রমণের ক্ষেত্রে পাসপোর্ট দেখিয়ে টিকিট নিতে হবে।

    আজ বুধবার রেল ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে রেলপথ মন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন এসব তথ্য জানান।

    নূরুল ইসলাম সুজন বলেন, জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাইয়ের মাধ্যমে রেলওয়ের আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিটিং ব্যবস্থা, টিকিট চেকিং ব্যবস্থায় পয়েন্ট অব সেল (পিওএস) মেশিনের প্রবর্তন এবং অনলাইনের মাধ্যমে কেনা টিকিট অনলাইনে ফেরতের ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে। আগামী ১ মার্চ থেকে এই তিন সেবা চালু হবে। রেলমন্ত্রী বলেন, রেলওয়ের যাত্রী সাধারণের সেবা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘টিকিট যার, ভ্রমণ তার’ শীর্ষক স্লোগানকে সামনে রেখে এবং বাংলাদেশ সরকারের লক্ষ্য অনুযায়ী ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গঠনের প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে রেলওয়ে টিকিটিং ব্যবস্থায় কিছু পরিবর্তন এনেছে।

    নতুন পক্রিয়ায় নিবন্ধন প্রসঙ্গে রেলওয়ে বলছে, ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সী যাত্রীরা বাবা বা মায়ের নাম ও এনআইডি দিয়ে নিবন্ধনকৃত রেলওয়ে অ্যাকাউন্ট অথবা জন্মনিবন্ধন নম্বর দিয়ে ও জন্মনিবন্ধন সনদ আপলোড করার মাধ্যমে নিবন্ধনকৃত অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে পৃথক/এককভাবে টিকিট কিনতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে টিকিটের ওপরে মুদ্রিত নামের সঙ্গে যাত্রীর সমপর্ক যাচাইয়ের জন্য ভ্রমণকালে বাধ্যতামূলকভাবে জন্মনিবন্ধন সনদের ফটোকপি সঙ্গে রাখতে হবে।

    বিদেশি নাগরিকেরা পাসপোর্ট নম্বর দিয়ে ও পাসপোর্টের ছবি আপলোড করার মাধ্যমে নিবন্ধন করবেন। সফলভাবে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি)/পাসপোর্ট/জন্মনিবন্ধন যাচাইয়ের মাধ্যমে  নিবন্ধন ব্যতীত কোনো যাত্রী আন্তনগর ট্রেনের টিকিট কিনতে পারবেন না। ভ্রমণকালে যাত্রীকে  অবশ্যই নিজস্ব এনআইডি বা জন্মনিবন্ধন সনদের ফটোকপি অথবা পাসপোর্ট/ছবি সংবলিত আইডি কার্ড সঙ্গে রাখতে হবে।

    পরিচয়পত্রের সঙ্গে টিকিটের ওপর মুদ্রিত যাত্রীর তথ্য না মিললে যাত্রীকে বিনা টিকিটে ভ্রমণের দায়ে অভিযুক্ত করা হবে এবং বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    সুত্র: কালের কন্ঠ