১৫ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৩১শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ |
  • প্রচ্ছদ
  • মতামত >> রাজনীতি
  • আমরা কারও সঙ্গে যুদ্ধে জড়াতে চাই না: প্রধানমন্ত্রী
  • আমরা কারও সঙ্গে যুদ্ধে জড়াতে চাই না: প্রধানমন্ত্রী

    মুক্তি কন্ঠ

     

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা কারও সঙ্গে যুদ্ধ করতে চাই না। জাতির পিতার পররাষ্ট্রনীতি সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়; আমরা সেই নীতিতে বিশ্বাস করি। তবে সশস্ত্র বাহিনীকে যে কোনো বহিরাগত শক্তির আক্রমণ প্রতিরক্ষা করতে সক্ষম করার ব্যবস্থা নিচ্ছি।

    বৃহস্পতিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় চট্টগ্রাম সেনানিবাসে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর বিজয়ের ইতিহাস কলঙ্কিত হয়। স্বাধীনতার আদর্শ খর্ব করা হয়। এরপর যারা এদেশে ধ্বংসযজ্ঞ চালায় তাদের ক্ষমতায় বসানো হয়।

     

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর সেনা-নৌ-বিমানবাহিনী আধুনিকায়নে কাজ শুরু করে। বহিঃশত্রুর আক্রমণ মোকাবিলায় সশস্ত্র বাহিনীকে প্রস্তুত করা হয়।

    ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ভূমিকার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ৯২৪ জন বীর সেনানী শাহাদত বরণ করেন এবং ২৩১ জন সদস্য অনন্য দেশপ্রেম, কর্তব্যবোধ ও বীরত্বপূর্ণ কাজের জন্য খেতাবপ্রাপ্ত হন।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবেগ জড়ানো কণ্ঠে বলেন, ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সঙ্গে রয়েছে আমার আত্মিক ও পারিবারিক সম্পর্ক। আমার দুই ভাই শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামাল ও শহীদ লেফটেন্যান্ট শেখ জামাল এই রেজিমেন্টের অফিসার ছিলেন। শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামাল সিনিয়র টাইগার্স এবং শহিদ লেফটেন্যান্ট শেখ জামাল জুনিয়র টাইগার্সে কর্মরত ছিলেন।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর জন্ম।

    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি পেশাদার, প্রশিক্ষিত ও শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তিনি ১৯৭৪ সালে কুমিল্লা সেনানিবাসে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির শুভ উদ্বোধন করেন।